Published : 03 Jul 2026, 05:31 PM
নরওয়ে ও ইরাকের মধ্যকার এই ম্যাচে ৮৩ মিনিটে ঘটেছিল এক নাটকীয় মুহূর্ত। আর্লিং হলান্ড ইরাকের গোলকিপার জালাল হাসানকে ডান প্রান্তে একা পেয়ে যান এবং আরও একটি গোল করেন। যদিও জালালের পায়ে লেগে বল লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় হলান্ডের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ হয় না। শেষ বাঁশি বাজার পর নরওয়ের স্ট্রাইকার দুটি গোল করে নিজেদের সন্তুষ্ট রাখতে পারে। তবে বোস্টন স্টেডিয়ামে নরওয়ের ৪-১ গোলে জয়ের এই ম্যাচে এমন কিছু প্রত্যাশিত ছিল না। অনেকেই আশা করেছিল, এই ম্যাচে 'হলান্ড শো' হবে—হ্যাটট্রিক বা অন্তত দুটি গোল নিশ্চিত হবে। কিন্তু এই 'গোলমেশিন'টি বিশ্বকাপ অভিষেকে তা ঘটিয়ে দিলেন ম্যাচের ৪৩ মিনিটের মধ্যে।
প্রথম ও দ্বিতীয় গোল করার মধ্যে ব্যবধান ছিল মাত্র ১৪ মিনিট। কিন্তু এই ম্যাচকে পুরোপুরি হলান্ডের বলে আখ্যা দেওয়া কঠিন, কারণ এখানে অন্যান্য খেলোয়াড়দের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২৯ এবং ৪৩ মিনিটে হলান্ডের গোল করার পর ৭৬ মিনিটে নরওয়ের হয়ে স্কিরি অস্টিগার্ড আরও একটি গোল করেন। আর মাত্র ৬ মিনিট পর নরওয়ে শেষ গোলটি পায় ইরাকের তারকা স্ট্রাইকার আইমেন হুসেইনের কাছ থেকে—একটি আত্মঘাতী গোল! এই ম্যাচে ইরাকের হয়ে একমাত্র গোলটিও আইমেন হুসেইনের কাছ থেকে আসে। এটি ছিল সমতাসূচক গোল। ২৯ মিনিটে হলান্ড নরওয়েকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৩৯ মিনিটে আইমেন হেডে গোল করেন। আত্মঘাতী গোল করার কারণে তিনি বিশ্বকাপে বিরল এক তালিকায় নাম লেখান।
বিশ্বকাপে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এক ম্যাচে গোল করার পাশাপাশি আত্মঘাতী গোলও করলেন আইমেন। বিশ্বকাপে এই রেকর্ডটি দ্বিতীয়বারের মতো ইরাকের দখলে আসে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোল পেয়েছিল ইরাক। ৪০ বছর নয় দিন পর আইমেনের কল্যাণে ইরাক দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা দল হিসেবে একটি গোল পেল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো জাতীয় দলের প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের মধ্যে এই ব্যবধান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই ম্যাচের জয়ী দল নরওয়ে, তারা তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। আরও পড়ুন।